Posts

Showing posts from September, 2026

সারারাত ধরে নতুন বউকে তিনজনে মিলে...See More

Image
  বন্যার রাতে আশ্রয়, এরপর ঘটল ভয়াবহ এক ঘটনা বিয়ের আনন্দ তখনও শেষ হয়নি। নতুন সংসার নিয়ে হাজারো স্বপ্নে বিভোর ছিলেন নবদম্পতি। কিন্তু প্রকৃতির নির্মম রূপে সবকিছু বদলে যায়। টানা বৃষ্টিতে বাড়িতে বন্যার পানি ঢুকে পড়লে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে তারা আত্মীয়ের বাড়িতে যান। রাতের সেই আশ্রয়ই পরিণত হয় এক দুঃস্বপ্নে। পরদিন সকালে পরিবার ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে গুজব বা অসমর্থিত তথ্য ছড়িয়ে না দিয়ে তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দোষী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, পাবেন না যারা.. See more

Image
  শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি একদিন বাড়িয়েছে সরকার। আগামী ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ড. সালেহ শিবলী গণমাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে এই ছুটি শুধু সরকারি চাকরিজীবীরা ভোগ করবেন। তবে এদের মধ্যেও জরুরি সেবায় নিয়োজিত বিভাগগুলো খোলা থাকবে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। বৈঠকে এটি অনুমোদিত হলে একদিন ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, মহানবমী উপলক্ষে ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) নির্বাহী আদেশে এবং বিজয়া দশমী উপলক্ষে ২১ অক্টোবর (বুধবার) সাধারণ ছুটি রয়েছে। এর সঙ্গে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবারও নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।এর পরের দুদিন ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার। এ দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার থেকে ২৪ অক্টোবর শনিবার পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন সরকারি ছুটি থাকবে। ছুটি পাবেন না যারা হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা : চিকিৎসক, নার...

বরিশালে ডা’কা’তি করতে গিয়ে জিনিসপত্র নেওয়ার পর ঘরে থাকা প্রবাসীর বউ কে…see more

Image
    গোপালগঞ্জে একটি পরিবারের বাসায় ঘটে যাওয়া অস্বাভাবিক একটি ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবারের সদস্যদের অগোচরে এক তরুণীকে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকাজুড়ে শুরু হয় নানা আলোচনা ও কৌতূহল। প্রতিবেশীরা জানান, কয়েকদিন ধরে ওই বাড়িতে অস্বাভাবিক কিছু ঘটছে বলে তাদের সন্দেহ হচ্ছিল। পরিবারের সদস্যদের আচরণ এবং বাসার ভেতরে চলাফেরা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম নেয়। একপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর শুরু হলে ঘটনাটি সামনে আসে। সূত্র মতে, পরিবারের এক সদস্য নিজের আপাকে খাটের নিচে লুকিয়ে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে কী কারণে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে, সে বিষয়ে শুরুতে কেউ স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেনি। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে নানা তথ্য সামনে আসতে থাকে। ঘটনার খবর পেয়ে উৎসুক মানুষ বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন। অনেকেই ঘটনাটিকে অবিশ্বাস্য বলে মন্তব্য করেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান। এদিকে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে ভি...

অবশেষে বি'য়ে করতে যাচ্ছে জাইমা রহমান। পা'ত্র হলেন সাবেক ম'ন্ত্রী'র একমাত্র...See More

Image
  অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন জাইমা রহমান, পাত্র সাবেক মন্ত্রীর একমাত্র পুত্র! দীর্ঘদিন ধরেই জাইমা রহমানের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছিল। অবশেষে সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন তিনি। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তার হবু বর দেশের একজন সাবেক মন্ত্রীর একমাত্র পুত্র। বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই এ নিয়ে শুভকামনা জানাচ্ছেন। যদিও বিয়ের আনুষ্ঠানিক তারিখ, আয়োজন ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, দুই পরিবারের সম্মতিতেই এ বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন হচ্ছে। ইতোমধ্যে উভয় পরিবারের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা ও প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিয়ে সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য নিয়ে আলোচনা থাকলেও নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন অনেকে। এদিকে, জাইমা রহমানের বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দের আমেজ দেখা দিয়েছে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ন...

সংসদে তারেক রহমানের ঘোষণা! আমি ০৭ দিনের মধ্যে শেখ হাসিনাকে এনে...See More

Image
  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় তারেক রহমান নাকি বলেছেন, তিনি ৭ দিনের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেবেন। তবে এ ধরনের বক্তব্যের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য বা আনুষ্ঠানিক সূত্রে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই নানা দাবি ও গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তাই এ ধরনের তথ্য বিশ্বাস বা প্রচারের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, দল বা নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য যাচাই করা জরুরি। এদিকে, বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে সবাইকে যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডু’বে যাওয়া এই মেয়েটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর ২য়...See More

Image
  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই এমন কিছু ছবি ও দাবি ভাইরাল হয়, যা মুহূর্তের মধ্যেই হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। সম্প্রতি “পানিতে ডুবে যাওয়া এই মেয়েটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় কন্যা”—এমন একটি দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের সংবেদনশীল ঘটনায় অনেক সময় পুরোনো ছবি, ভিন্ন দেশের ঘটনা বা সম্পূর্ণ ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর পোস্ট তৈরি করা হয়। ফলে যাচাই ছাড়া এসব তথ্য প্রচার করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা পরিবারের জন্যও তা ক্ষতিকর হতে পারে। যদি সত্যিই এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তা সাধারণত দেশের নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সূত্রে প্রকাশিত হয়। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই বিশ্বস্ত উৎস থেকে তথ্য যাচাই করা উচিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্লিক বাড়ানোর উদ্দেশ্যে অনেক সময় বিভ্রান্তিকর শিরোনাম ব্যবহার করা হয়। তাই আবেগের বশে কোনো পোস্ট শেয়ার না করে প্রথমে নিশ্চিত হওয়াই একজন সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব।

দে/হব্যবসা করে পড়াশোনা, ৭টি আন্তর্জাতিক খেতাব জয় করা কে এই তরুণী

Image
  ভারতের প্রথম রূপান্তরকামী সুন্দরী নাজ জোশী। দেশের বাইরে বিদেশে সাত বার সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক খেতাব জিতেছেন। তবু উপার্জনের স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেই তার। নাজ জোশী ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ফ্যাশন টেকনোলজি (এনআইএফটি)-র ছাত্রী। পোশাক ডিজাইনিংয়ে তিনি স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। নিজের ব্যাচে শীর্ষ স্থান অধিকার করেন নাজ। তবে পড়াশোনার খরচ চালাতে বারে নেচেছেন। এমনকি যৌনকর্মীর কাজও করেছেন তিনি। শিশুকালে বাবা-মা নাজকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ, তার মেয়েলি আচরণে লজ্জায় পড়তেন তারা। প্রতিবেশীদের ভয়ে মুম্বাইয়ের এক আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল নাজকে। সেখানেই মানুষ হন তিনি। নিজের খরচ বরাবর নিজেই বহন করেছেন নাজ। তার পড়াশোনার প্রবল ইচ্ছে ছিল। ১২ বছর বয়স থেকে বারে নাচছেন। মেয়েদের ন্যায় পোশাক পরতে পেরে, মেক আপ করার সুযোগ পেয়ে ভালই লাগত তার। খুব বেশি সমস্যা হতো না। এভাবেই উপার্জন করে আইএমটি থেকে এমবিএ-ও করেছেন নাজ। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের লিঙ্গ পরিবর্তন সংক্রান্ত অস্ত্রোপচারের খরচও জোগাড় করেছিলেন নিজেই। মডেলিং এর কথা ভাবেননি। ইচ্ছে ছিল ডিজাইনার হওয়ার। ২০১২ সাল থেকে...

ঘণ্টায় প্রায় ২০০ কিলোমিটার বে'গের বাতাস নিয়ে ধেয়ে আসছে শ'ক্তি'শা'লী টা/ই/ফু/ন...See More

Image
  ঘণ্টায় প্রায় ২০০ কিলোমিটার বেগের বাতাস নিয়ে চীন ও তাইওয়ানের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘বাভি’। আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, এটি ১৯৮৭ সালের পর আকারের দিক থেকে সবচেয়ে বড় টাইফুন হতে পারে। সম্ভাব্য এই দুর্যোগ মোকাবিলায় চীন ও তাইওয়ানে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। তাইওয়ানে ২৯ হাজার সেনা প্রস্তুত রাখা হয়েছে, আর উপকূলীয় এলাকায় জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা। বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, শক্তিশালী টাইফুন ‘বাভি’ সাম্প্রতিক বছরের সবচেয়ে বিধ্বংসী ক্রান্তীয় ঝড়গুলোর একটি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে চীন ও তাইওয়ান। এমন সময় এই ঝড়টি আঘাত হানতে যাচ্ছে, যখন কিছুদিন আগেই আঘাত হানা টাইফুন ‘মায়সাক’-এর ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে চীনের বিভিন্ন অঞ্চল। তাইওয়ানের আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানী তাইপের আশপাশের উত্তরাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় স্বায়ত্তশাসিত এই অঞ্চলটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রায় ২৯ হাজার সেনাকে প্রস্তুত রেখেছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, ২০২৪ সালের ‘কং-রে’ টাইফুনের পর এটিই হতে পারে তাইওয়ানে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড়। ওই টাইফুনে তিনজনের মৃত্যু ...

আর দেখা যাবেনা মোজতবা খামেনিকে...See More

Image
  ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে আর দেশে দেখা যাবে না বলে দাবি করেছে সৌদি আরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-হাদাস। একটি ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে আসেননি এবং কেবল লিখিত বিবৃতির মাধ্যমেই নিজের বার্তা দিয়ে আসছেন। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের। ইসরাইলি নিরাপত্তা সূত্রটি আল-হাদাসকে জানিয়েছে, নতুন সর্বোচ্চ নেতার নামে যেসব বার্তা বা বিবৃতি প্রকাশিত হচ্ছে, সেগুলো আসলে তার নিজের লেখা নয়। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নতুন প্রধান আহমাদ ওয়াহিদি এবং বাহিনীর অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা মোজতাবা খামেনির নামে এসব বার্তা লিখে দিচ্ছেন। সূত্রটি আরও উল্লেখ করেছে যে ইরানের অভ্যন্তরে বর্তমানে তীব্র অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিভাজন চলছে, যা খোদ ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফে...

স্বামী স্ত্রী একসাথে ট্রেনে উঠেছিল। স্বামী অনিকের হাত থেকে ছুটে গিয়ে স্ত্রী রুপা খাতুন...See More

Image
  একসঙ্গে গন্তব্যে পৌঁছানোর স্বপ্ন নিয়ে ট্রেনে উঠেছিলেন স্বামী-স্ত্রী। কিন্তু কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই সেই আনন্দঘন যাত্রা রূপ নেয় এক মর্মান্তিক ঘটনায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, চলন্ত ট্রেনে ওঠার সময় বা ট্রেন ছাড়ার মুহূর্তে স্বামী অনিকের হাত থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যান তার স্ত্রী রুপা খাতুন। ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে আশপাশের যাত্রীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই সবাই হতভম্ব হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে ফেললে অনিক স্ত্রীর হাত শক্ত করে ধরে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাত ফসকে যাওয়ায় রুপা খাতুন ট্রেনের নিচে বা রেললাইনের পাশে পড়ে যান। ঘটনার পরপরই ট্রেনে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই জরুরি ভিত্তিতে ট্রেন থামানোর চেষ্টা করেন এবং স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। মর্মান্তিক ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়, চলন্ত ট্র...

প্রতিদিন কাজের কথা বলে রাতে বাড়ি ছাড়তেন স্বামী। সেই সুযোগ পেয়েই স্ত্রী ঘরে আনতেন তার...See More

Image
  প্রতিদিন কাজের অজুহাতে রাত হলেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেন স্বামী। স্ত্রীও স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বাস করতেন যে তিনি কর্মস্থলের দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু একদিন প্রতিবেশীদের সন্দেহজনক কিছু তথ্য এবং অস্বাভাবিক যাতায়াত নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা শুরু হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে জানা যায়, স্বামী বাড়ির বাইরে থাকলে স্ত্রী নিয়মিত এক পরিচিত ব্যক্তিকে ঘরে আনতেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি ধীরে ধীরে পরিবারের অন্য সদস্যদের কানেও পৌঁছে যায়। পরে স্বামী বিষয়টি জানতে পেরে স্ত্রীর কাছে ব্যাখ্যা চান। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং পারিবারিক অশান্তি চরমে পৌঁছে। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও ঘটনাটি নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পরে উভয় পরিবারের সদস্যরা বসে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। এ ধরনের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও অনেক সময় অতিরঞ্জিত বা বিভ্রান্তিকর তথ্য যুক্ত হয়। তাই কোনো খবর বিশ্বাস বা শেয়ার করার আগে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য য...

স্ত্রীর পরকী'য়া ধ'ড়তে পাড়া'য়,স্বা'মী রা'গে...See More

Image
  রফিক কয়েক মাস ধরে লক্ষ্য করছিল, তার স্ত্রীর আচরণ আগের মতো নেই। প্রায়ই ফোন লুকিয়ে কথা বলা, হঠাৎ বাইরে যাওয়া এবং নানা অজুহাতে সময় কাটানো তাকে সন্দেহের মধ্যে ফেলেছিল। একদিন সত্য জানার জন্য তিনি বিষয়টি শান্তভাবে খোঁজ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। কিছু ভুল বোঝাবুঝি এবং কিছু বাস্তব ঘটনার কারণে সংসারে বড় ধরনের ঝগড়া শুরু হয়। রাগের মাথায় দুজনেই এমন কিছু কথা বলে ফেলেন, যা তাদের সম্পর্ককে আরও দূরে ঠেলে দেয়। পরে দুই পরিবারের বড়রা এগিয়ে এসে তাদের বোঝান যে, রাগ বা প্রতিশোধ কোনো সমস্যার সমাধান নয়। সত্য যাই হোক না কেন, সম্মানজনকভাবে কথা বলা এবং আইন ও পারিবারিকভাবে সমাধান খোঁজাই সবচেয়ে ভালো পথ। শিক্ষা: সন্দেহ বা রাগের বশে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে, সত্য যাচাই করে শান্তভাবে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করা উচিত।

এই ছেলেটার শাস্তি কী হওয়া উচিত, আপনারাই বলেন, মাত্র ১০ ...See more

Image
  এই ছেলেটার শাস্তি কী হওয়া উচিত, আপনারাই বলেন! 😰 মেয়েটার বয়স মাত্র ১০ বছর। ক্লাস ফাইভে পড়ে। অথচ এই ছোট্ট মেয়েটাকেই দীর্ঘদিন ধরে ইভটিজিং করছিল ২৩ বছরের যুবক ফয়সাল। দিচ্ছিল প্রেমের কুপ্রস্তাবও। ঘটনাটি বরগুনার বেতাগীর। গত শনিবার রাতে মেয়েটি বাথরুমে গেলে ফয়সাল দরজার ফাঁক দিয়ে হাত ঢুকিয়ে তাকে স্পর্শ করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। ভয়ে মেয়েটি চিৎকার করলে ফয়সাল পালিয়ে যায়। এরপর মেয়েটির মা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ ডাকেন। কিন্তু জানা গেলো পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার না করে স্থানীয় মেম্বারের উপস্থিতিতে সালিশ বসিয়ে ঘটনাটি ‘মীমাংসা’ করে দেয়! আর সেখানেই যেন আরও ভয়ংকর বিপদের দরজা খুলে যায়। সালিশের সময় ফয়সালের মা নাকি হুমকি দিয়েছিল, “পুলিশ ডাকার ফল ভোগ করতে হবে।” পরদিনই সেই হুমকির ভয়াবহ পরিণতি দেখলো ১০ বছরের শিশুটি। স্কুল থেকে ফেরার সময় স্কুলের বাউন্ডারির ভেতর ওত পেতে থাকা ফয়সাল মেয়েটির ওপর হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি মারধরে তার সামনের ৩টি দাঁত উপড়ে যায়, আরও ২টি দাঁত ভেঙে যায়। যে শিশুটির বয়স এখনো ১০ বছর, যে স্কুলে পড়ে সে স্কুলেও নিরাপদ নয়। বাথরুমেও নিরাপদ নয়। আর সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, প্রথমবার অভিযোগ পাও...

নারীর শরীরের ৮০%উত্তেজনা তৈরি হয় শরীরের পাঁ..See more

Image
  নারীর উত্তেজনার ৮০% আসে বাইরের যে পাঁচ স্পর্শকাতর জায়গা থেকে, জানা জরুরিনারীর শরীরের ৮০% উত্তেজনা তৈরি হয় শরীরের বাইরের পাঁচ জায়গা থেকে—যা বেশিরভাগ পুরুষ চেনেই না।” পুরুষদের বড় ভুল—সব মনোযোগ নিচে। কিন্তু সত্যটা সহজ: নারীর উত্তেজনা প্রথম জ্বলে শরীরের পাঁচ বাইরের পয়েন্ট থেকে। এগুলো ঠিকমতো স্পর্শ করলে হরমোন, রক্তপ্রবাহ, আর শিহরণ একসাথে কাজ করে। ১️⃣ ঘাড়ের দুইপাশ এটা নারীর সবচেয়ে দ্রুত-প্রতিক্রিয়াশীল অংশগুলোর একটি। এখানে হালকা স্পর্শ মানে শরীরকে “স্টার্ট” করে দেওয়া। ২️⃣ কোমরের উপরের অংশ (Lower Back) এখানে নারীর স্নায়ু ঘন। ধীরে টানলে বা চাপ দিলে পুরো শরীরের টেন৩️⃣ উরুর ভেতরের দিক এটা শরীরের গেটওয়ে। এটা ছোঁয়া মানে উত্তেজনা বাড়ানো নয়—মানসিক অনুমতি তৈরি করা। ৪️⃣ নিতম্বের পাশে নরম অংশ এখানে স্পর্শ মানে সরাসরি নারীর ব্রেইনকে উত্তেজনার সিগন্যাল পাঠানো। ৫️⃣ কানের নিচের অংশ (Ear Base) এখানে নারীর শরীর সবচেয়ে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেয়। এটা ঠিকঠাক করলে শরীর ঢেউ নেওয়া শুরু করে—প্রায় সঙ্গে সঙ্গে।শন বদলে যায়।

বিয়েতে উপহার হিসেবে একটি বাইক পেয়েছিলেন জামাই। কিন্তু তিনি জানা…see more

Image
  বিয়ের দিন নতুন জামাইকে খুশি করতে পরিবারের পক্ষ থেকে উপহার দেওয়া হয় একটি মোটরসাইকেল। নতুন জীবনের শুরুতে এমন উপহার পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই আনন্দিত হয়েছিলেন তিনি। বিয়ের পর কয়েকদিন সবকিছু ভালোভাবেই চলছিল। কিন্তু হঠাৎ একদিন বাইকটির কাগজপত্র নিয়ে কথা উঠতেই বিষয়টি নতুন মোড় নেয়। জামাই জানতে পারেন, বাইকটি কীভাবে কেনা হয়েছিল এবং এর পেছনে পরিবারের কী ধরনের সিদ্ধান্ত ছিল। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর দুই পরিবারের মধ্যে শুরু হয় আলোচনা। কেউ বলছিলেন এটি নিছক ভালোবাসার উপহার, আবার কেউ মনে করছিলেন বিয়েতে এমন দামি উপহার দেওয়া নিয়ে সামাজিক চাপ তৈরি হতে পারে। শেষ পর্যন্ত পরিবারের সদস্যরা বসে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের চেষ্টা করেন। তারা বলেন, বিয়েতে উপহারের চেয়ে পারস্পরিক সম্মান, ভালোবাসা ও বোঝাপড়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হলেও, কারও ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি না করে স্বচ্ছতা ও পারিবারিক সম্মতিকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

বরিশালে স্ত্রী বাপের বাড়ি বেড়াতে যায়, এ সুযোগে স্বামী ঘ'রে ডে'কে আনে তার আ'প'ন…see more

Image
  স্ত্রী বাড়ির বাইরে, সেই সুযোগে স্বামীর গোপন আচরণে ভেঙে গেল সংসারের বিশ্বাস (কাল্পনিক গল্প) স্ত্রী কয়েক দিনের জন্য বাবার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পর স্বামী বাড়িতে এক পরিচিত ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানান। বিষয়টি প্রথমে স্বাভাবিক মনে হলেও, পরে কিছু ঘটনার কারণে পরিবারের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয় প্রতিবেশীদের মাধ্যমে বিষয়টি পরিবারের অন্য সদস্যদের কানে পৌঁছায়। পরে স্ত্রী বাড়ি ফিরে বিষয়টি নিয়ে স্বামীর কাছে জানতে চাইলে শুরু হয় তীব্র বাকবিতণ্ডা। তবে অভিযোগের সত্যতা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য সামনে আসে। একপর্যায়ে দুই পরিবারের সদস্যরা বসে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন। কেউই যাচাই ছাড়া অভিযোগ বিশ্বাস না করার আহ্বান জানান। পরে ভুল বোঝাবুঝির অনেক দিক সামনে এলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। গল্পটি মনে করিয়ে দেয়, পারিবারিক সম্পর্কে বিশ্বাস, খোলামেলা আলোচনা এবং সত্যতা যাচাই না করে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত না (এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক গল্প; কোনো বাস্তব ব্যক্তি বা ঘটনার সঙ্গে এর মিল কাকতালীয়।)

নিজের ছেলে কেমনে পাললো..more

Image
         নিজের ছেলে হঠাৎ করে কোথায় চলে গেল—এমন প্রশ্নে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। প্রতিদিনের মতো স্বাভাবিকভাবেই সময় কাটছিল। কিন্তু একপর্যায়ে ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার সন্ধান করার চেষ্টা করেন। আশপাশের এলাকাতেও খোঁজ নেওয়া হয়। ছেলেটি কেন বাড়ি থেকে বের হয়েছিল, কারও সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল কি না এবং সে কোথায় গেছে—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন স্বজনরা। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য, স্থান ও সময় স্পষ্ট নয়। তাই ছেলেটি ঠিক কীভাবে বা কেন বাড়ি থেকে চলে গেছে—তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো এবং পরিবারের সদস্যদের শান্ত থেকে খোঁজ চালানো গুরুত্বপূর্ণ। কোনো তথ্য পাওয়া গেলে যাচাই করে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করাই উচিত। আপনার কী মনে হয়, ছেলেটি কেন হঠাৎ বাড়ি থেকে চলে গেল? আপনার মতামত কমেন্টে জানান। .

মধ্যযুগের মহিলাদের মধ্যে পরকীয়া ঠেকানোর বিরল পথ- অদ্ভুত অভ্যাস ছিল। বিবাহিত মহিলারা...more

Image
  পরকীয়া ঠেকানোর বিরল পথ- 😂 মধ্যযুগের ফ্রান্সের একটি শহরের মহিলাদের মধ্যে অদ্ভুত অভ্যাস ছিল।শহরের সকল বিবাহিত মহিলারা তাদের স্বামীর সকালের নাস্তায় সামান্য পরিমানে  বি* ষের ডো-জ দিয়ে রাখতো।  আর স্বামী সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে আসলে সঙ্গে সঙ্গে সেই বি*ষের প্রতিষেধক দেওয়া হতো। এর ফলে স্বামীর শরীরের কোনো ক্ষ*তি হতো না।  এই অদ্ভুত ও অস্বাভাবিক কাজটি করার কারণ ছিলো, যেনো তারা নিজ গৃহ ছাড়া কোথাও যেন না থাকে, নিজের স্বামীকে কাছে রাখার জন্য মহিলারা এই কাজ করতো।  যদি তারা বেশি সময় অন্য কোথাও থাকে, তাহলে পুরুষের শেষ পর্যন্ত বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, বিষণ্নতা, বমি, ব্যথা বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গের সম্মুখীন হতে শুরু করতো।  পুরুষ তার স্ত্রীর কাছে অর্থাৎ বাড়ি ফিরতে যত দেরি করবে, সে তত বেশি অসুস্থ হয়ে পড়বে। এবং অবশেষে যখন তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন, স্ত্রী অজান্তেই তাকে সেই বিষের প্রতিষেধক দিতেন।

নারীর তৃপ্তি বোঝার উপায়...see more

Image
  🌸সহ*বাসে নারীর পরিপূর্ণ তৃপ্তি বোঝার উপায় 🌸 অনেকেই মনে করেন সহ*বাসে তৃপ্তি মানে শুধু শারীরিক সম্পর্ক শেষ হওয়া। কিন্তু বাস্তবে নারীর পরিপূর্ণ তৃপ্তি একটি শারীরিক–মানসিক সমন্বয়ের ফল। 👉 নারীর তৃপ্তি বোঝার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ ও বিষয় 🔹 মানসিক সংযোগ ও স্বাচ্ছন্দ্য নারী যদি মানসিকভাবে নিরাপদ, সম্মানিত ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, সেটাই তৃপ্তির প্রথম ধাপ। 🔹 ইচ্ছার প্রকাশ তিনি নিজে আগ্রহ দেখান, কথা বলেন বা অনুভূতি প্রকাশ করেন—এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত। 🔹 শারীরিক প্রতিক্রিয়া সহ/বাসের সময় বা পরে শরীরের শিথিলতা, প্রশান্তি ও হাস্যোজ্জ্বল ভাব তৃপ্তির ইঙ্গিত দেয়। 🔹 পরবর্তী আচরণ সহ/বাসের পর ঘনিষ্ঠতা বাড়া, আন্তরিকতা ও সন্তুষ্টির অনুভূতি থাকলে বুঝতে হবে তিনি মানসিকভাবে তৃপ্ত। 🔹 খোলামেলা যোগাযোগ নারী যদি নির্ভয়ে নিজের ভালো লাগা–না লাগার কথা বলতে পারেন, সেটি সুস্থ দাম্পত্যের লক্ষণ। ❗ মনে রাখবেন— প্রতিটি নারী আলাদা, তার অনুভূতি ও চাহিদাও আলাদা। জোর নয়, বোঝাপড়া। তাড়াহুড়ো নয়, সময়। 🩺 যৌ/ন তৃপ্তি কোনো লজ্জার বিষয় নয়—এটি সুস্থ দাম্পত্য ও মানসিক স্বাস্থ্যের অংশ। পুরুষ হোক বা ন...

অতীতে পাশ্চাত্যের নারীরা মুড সুইং বিষণ্নতায় ভুগলে তাদেরকে স্বা'মীরা চিকিৎসকের কাছে...more

Image
  অতীতে পাশ্চাত্যের নারীদের বিষণ্নতা ও ‘মুড সুইং’-এর চিকিৎসা: ইতিহাসের এক বিতর্কিত অধ্যায় বর্তমান সময়ে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। কিন্তু কয়েক শতাব্দী আগে, বিশেষ করে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশে, নারীদের মানসিক সমস্যা সম্পর্কে ধারণা ছিল একেবারেই ভিন্ন। কোনো নারী যদি দীর্ঘদিন মন খারাপ, উদ্বেগ, অতিরিক্ত আবেগপ্রবণতা, রাগ, কান্না বা আচরণগত পরিবর্তনের মতো লক্ষণ দেখাতেন, তবে অনেক ক্ষেত্রেই এগুলোকে সঠিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা হতো না। ঐতিহাসিক নথিতে দেখা যায়, উনিশ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে নারীদের নানা ধরনের মানসিক ও শারীরিক উপসর্গকে প্রায়ই “হিস্টেরিয়া” (Hysteria) নামে একটি বিস্তৃত রোগের আওতায় ফেলা হতো। সে সময় চিকিৎসাবিজ্ঞান এখনও মানসিক রোগ সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান অর্জন করতে পারেনি। ফলে অনেক নারীকে এমন একটি রোগের রোগী হিসেবে বিবেচনা করা হতো, যার প্রকৃত বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ছিল দুর্বল। সে সময় কোনো নারী বিষণ্নতা, উদ্বেগ বা মুডের ওঠানামায় ভুগলে পরিবারের সদস্যরা, বিশেষ করে স্বামীরা, চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতেন। তবে চিকিৎসার...

১ ঘণ্টা সিলিং ফ্যান চললে কত টাকা বিল আসে? অনেকেই জানেন না..see more

Image
   গরমের সময় সিলিং ফ্যান প্রায় সারাক্ষণই চালু থাকে। বিশেষ করে ঘরে শিশু বা বয়োজ্যেষ্ঠ থাকলে একাধিক ফ্যান ব্যবহার করা হয়। এতে ঘর ঠান্ডা থাকলেও মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল দেখে অনেকেই চিন্তায় পড়ে যান। তবে বাস্তবে একটি সিলিং ফ্যান চালাতে খুব বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয় না। সঠিক হিসাব জানলে সহজেই বুঝতে পারবেন আপনার বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার প্রকৃত কারণ কী।১ ঘণ্টায় সিলিং ফ্যান কত বিদ্যুৎ খরচ করে? সাধারণত একটি সিলিং ফ্যানের ক্ষমতা ৭০ ওয়াট থেকে ১০০ ওয়াটের মধ্যে হয়ে থাকে। এখন যদি আমরা ৭০ ওয়াটের একটি ফ্যান ধরি, তাহলে১ ঘণ্টায় বিদ্যুৎ খরচ = ৭০ ওয়াট = ০.০৭ কিলোওয়াট প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম = ৭ টাকা ৫০ পয়সা সেক্ষেত্রে, ০.০৭ × ৭.৫০ = ০.৫২৫ টাকা অর্থাৎ, ১ ঘণ্টা ফ্যান চালাতে খরচ হবে প্রায় ০.৫৩ টাকা। দিনে ১০ ঘণ্টা ফ্যান চালালে কত বিল আসে? ধরে নেওয়া যাক, আপনি প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা ফ্যান চালান। দৈনিক খরচ = ৭০ ওয়াট × ১০ ঘণ্টা = ৭০০ ওয়াট = ০.৭ কিলোওয়াট দৈনিক খরচ টাকায় = ০.৭ × ৭.৫০ = ৫.২৫ টাকা অর্থাৎ, প্রতিদিন একটি ফ্যান চালাতে খরচ হবে প্রামাসে একটি ফ্যানের মোট বিদ্যুৎ বিল এখন যদি মাসে ৩০ দিন হিসাব করা হয়— মাসিক খরচ = ৫....

একজন স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও...more

Image
       একজন স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও গুনাহ নেই — ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি আরও পড়ুন 👇👇 স্ত্রীর গো*পন অ*ঙ্গে*র দিকে তাকিয়ে সহ*বাস করা কি জায়েজ? স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হলো ভালোবাসা, বিশ্বাস, পবিত্রতা ও পারস্পরিক সম্মানের সম্পর্ক। অনেক সময় সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন কথা ছড়ানো হয়, যেমন— “স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও গুনাহ নেই”। এই বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে হলে ইসলামের মূলনীতি জানা জরুরি। ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর জন্য বৈধ উন্মুক্ততা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে পরস্পরের জন্য শরীর বৈধ। অর্থাৎ তারা একে অপরের সামনে সম্পূর্ণ উ*ল*ঙ্গ হতে পারে। এতে কোনো গুনাহ নেই। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ > “তারা তোমাদের জন্য পোশাক এবং তোমরা তাদের জন্য পোশাক।” — সূরা আল-বাকারা: ১৮৭ এই আয়াত দ্বারা বোঝানো হয়েছে, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের নিকটতম ও নিরাপদ সম্পর্ক। স্ত্রী যে তিনটি স্থানে উ*ল*ঙ্গ থাকতে পারে (স্বামীর সামনে) ১. শয়নকক্ষ বা ব্যক্তিগত কক্ষ স্বামীর সঙ্গে নির্জনে নিজের ঘরে স্ত্রী উ*ল*ঙ্গ থাকলে এতে কোনো গুনাহ নেই। বরং বৈবাহিক সম্পর্কের স্বাভাবিক অংশ। ২. গোসলখানা বা বাথরুমে স্বামীর উপস্থ...

বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট...See More

Image
  যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে নতুন করে ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। এ চুক্তিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশকে নিয়ে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবারের (২৪ সেপ্টেম্বর) ওই পোস্টে বাংলাদেশ ও তুরস্কের সঙ্গে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির দিনটিকে প্রতিষ্ঠানটির জন্য ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। পোস্টে নতুন এই উড়োজাহাজ কেনাবেচাকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের জন্যও এক বিশাল সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘বোয়িং ও আমেরিকান প্রস্তুতকারক খাতের জন্য বড় দিন! মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ এবং বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের সহায়তার পর আজ তুরস্ক ও বাংলাদেশ মোট ১১১টি বোয়িং বিমান কেনার ঘোষণা দিয়েছে। এর সঙ্গে আরও ৫০টি বিমান কেনার বিকল্প সুযোগ রাখা হয়েছে।’ ট্রাম্প বলেন, ‘এই হাজার হাজার কোটি ডলারের বিশাল বিক্রি ও বিপুল পরিমাণ মার্কিন রপ্তানি দেশজুড়ে আমাদের হাজার হাজার মার্কিনির কর্মসংস্থান তৈরিতে সহায়তা করবে।’ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও শ্রমশক্তি নির্...

৫ বছর পর দেশে,সাং/বা/দিক জিজ্ঞেস করলে..more

Image
     দীর্ঘ পাঁচ বছর সৌদি আরবে থাকার পর দেশে ফিরেছেন এক প্রবাসী নারী। দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাকে ঘিরে তৈরি হয় কৌতূহল। এ সময় উপস্থিত এক সাংবাদিক তার সঙ্গে কথা বলেন এবং জানতে চান, “দীর্ঘ পাঁচ বছর পর দেশে ফিরেছেন, কেমন লাগছে?” জবাবে ওই নারী জানান, প্রিয়জন ও নিজের দেশের মাটিতে ফিরে আসার অনুভূতি সত্যিই অন্যরকম। দীর্ঘ সময় পরিবারের কাছ থেকে দূরে থাকার পর দেশে ফিরে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। সাংবাদিক আরও জানতে চান, “সৌদি আরবে পাঁচ বছর থাকার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?” তিনি বলেন, বিদেশের মাটিতে থাকা সহজ নয়। কাজের ব্যস্ততা, পরিবার থেকে দূরে থাকা এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশের কথা সবসময় মনে পড়ত। তার দেশে ফেরার মুহূর্তের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ছবিটির ব্যক্তির পরিচয় ও বক্তব্যের স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই এটিকে নিশ্চিত সংবাদ হিসেবে প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় ও বক্তব্য যাচাই করা উচিত।

এক প্র’/বাসী ভাই শখ করে তার সু’ন্দরী বউকে প্র’বাসে নিয়ে যায় কিন্তু বউ ক’/পিলের খ’/প্পরে প…See more

Image
   প্রবাসে থাকা স্বামীর সঙ্গে সুখের সংসারের স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন এক তরুণী। স্বামীও চেয়েছিলেন, দীর্ঘদিন দূরে থাকার কষ্ট আর একাকীত্ব দূর করতে স্ত্রীকে নিজের কাছে নিয়ে যাবেন। কিন্তু বিদেশে যাওয়ার পর ঘটে যায় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক ঘটনা—এমনই একটি গল্প ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।ছবিতে দেখা যায়, এক বিদেশি পোশাক পরা ব্যক্তির সঙ্গে তরুণীকে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। অন্য একটি ছবিতে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তরুণীর ঘনিষ্ঠভাবে বসে থাকার দৃশ্যও রয়েছে।ছবিগুলোর সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের দাবি যুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা হচ্ছে। তবে ছবিগুলো কোন ঘটনা বা সময়ের—এবং এর পেছনে সত্যিই কী ঘটেছিল—তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ভাইরাল গল্প অনুযায়ী, স্ত্রীকে কাছে পেয়ে প্রবাসী স্বামী প্রথম দিকে বেশ আনন্দেই ছিলেন। নতুন পরিবেশে স্ত্রীকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করতেন এবং ঘুরতে নিয়ে যেতেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে পরিচিত মহলে নতুন কিছু মানুষের সঙ্গে স্ত্রীর যোগাযোগ তৈরি হয়। সেখান থেকেই নাকি সম্পর্কের জটিলতার সূত্রপাত।একপর্যায়ে স্বামী স্ত্রীর আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করেন...

হায়রে মানুষ কেমনে পারলো ! নিজের আপন... more

Image
    হায়রে মানুষ কেমনে পারলো এই কাজ করতে! স্বামী বাসায় না থাকায় নিজের  হয়রে মানুষ কেমনে পারলো এই কাজ করতে! স্বামী বাসায় না থাকায় নিজের আপন চরিত্র: মালিহা (স্ত্রী), রাশেদ (স্বামী) এবং তাদের ৪ বছরের সন্তান আরিয়ান। প্রেক্ষাপট: রাশেদ একজন দিনমজুর। তীব্র গরম আর কঠোর পরিশ্রমের কারণে হঠাৎ একদিন সে কাজে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। কোনো রকমে সহকর্মীদের সাহায্যে বাড়ি ফিরে সে বিছানায় ঢলে পড়ে। ঘটনা: ঘরে চিকিৎসার জন্য কোনো টাকা ছিল না, এমনকি রাতের খাবারের চালটুকুও বাড়ন্ত। স্বামীর এমন অসহায় অবস্থা দেখে মালিহা নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেনি। সে রাশেদকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে। সে রাশেদের বুকে মাথা রেখে বলতে থাকে, "তুমি এভাবে ভেঙে পড়লে আমাদের কী হবে? এই অবুঝ সন্তানকে নিয়ে আমি কোথায় দাঁড়য় "কষ্টের মুহূর্ত: রাশেদ নিজেও অসুস্থ শরীরে চোখ দিয়ে জল ফেলছিল কিন্তু স্ত্রীকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা তার জানা ছিল না। ঠিক তখনই নিচে বসা তাদের ছোট্ট সন্তান আরিয়ান ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে দেখছিল। সে বুঝতে পারছিল না তার বাবা-মা কেন কাঁদছে, কিন্তু বাবা-মার চোখের জল দেখে তার ছোট্ট মনেও এক অজানা ভয়ের সৃষ...

এক অবিশ্বাস্য ঘটনা! অক্সিজেন দি...See More

Image
  অবিশ্বাস্য ঘটনা! সাত মিনিট ধরে নিজের মুখ দিয়ে অক্সিজেন দিয়ে নবজাতকের প্রাণ ফিরিয়ে আনলেন চিকিৎসক… হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডে হঠাৎই নেমে আসে উৎকণ্ঠা। জন্মের পরপরই ছোট্ট নবজাতকটি ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারছিল না। মুহূর্তেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে উদ্বেগ। ডিউটিরত চিকিৎসক ও নার্সরা দ্রুত শিশুটিকে বাঁচানোর চেষ্টা শুরু করেন। পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক ছিল যে, চিকিৎসক নবজাতকের শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক করার জন্য জরুরি পুনরুজ্জীবন (Resuscitation) প্রক্রিয়া শুরু করেন। প্রতিটি সেকেন্ড তখন ছিল অমূল্য। দীর্ঘ কয়েক মিনিটের নিরলস চেষ্টার পর হঠাৎই শিশুটির বুক ওঠানামা শুরু হয়। এরপর ভেসে আসে ক্ষীণ কান্নার শব্দ। সেই কান্নাই যেন পুরো কক্ষে স্বস্তির নিঃশ্বাস এনে দেয়। উপস্থিত সবার চোখে তখন আনন্দ আর আবেগের অশ্রু। শিশুটিকে পরে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয় এবং তার অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। চিকিৎসকদের দ্রুত সিদ্ধান্ত, দক্ষতা ও নিরলস প্রচেষ্টাই একটি নতুন জীবনকে বাঁচিয়ে দেয়। ❤️ জীবন বাঁচানোর প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান। দক্ষ চিকিৎসা এবং সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ অনেক জীবন রক্ষা করতে পারে।

অপ্রতিমের বাবা গণমাধ্যমকে জানাই তার ছেলেকে শুধু iphone এর জন্য না তার মায়ের উপর...See More

Image
  অপ্রতিমের বাবা গণমাধ্যমে যা জানালেন, শুধু আইফোনের জন্য নয়—মায়ের ওপর প্রতিশোধের প্রশ্নও সামনে কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। শুরুতে পরিবারের পক্ষ থেকে ধারণা করা হয়েছিল, মায়ের আইফোন নিয়ে বের হওয়ার কারণেই হয়তো অপ্রতিমকে টার্গেট করা হয়েছিল। কিন্তু তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের পেছনে আরও কোনো কারণ ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার প্রথম দিকে ছেলের মরদেহ পাওয়ার পর গণমাধ্যমের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁর বক্তব্যে আইফোনের বিষয়টি উঠে আসে। তিনি বলেন, তাঁর ছেলে কোনো অপরাধ করেনি এবং ফোনটি নেওয়ার জন্যই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তাঁর ধারণা। তবে পরবর্তী সময়ে তদন্তে আরও একটি সম্ভাব্য দিক সামনে এসেছে—অপ্রতিমের মা নাহিদা বেগমের সঙ্গে আগে কোনোভাবে বিরোধে জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র ছিল কি না। গণমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, অপ্রতিমের মা নাহিদা বেগম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে একটি মাদকবিরোধী অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। প্রায় দেড় বছর আগে ওই অভিযানে ...

চার বন্ধু সা’রা’রাত মেয়ে নিয়ে ফু*র্তি।সকালে উঠে জানতে পারে মেয়েটির ভা’ড়া...See More

Image
  চার বন্ধু সারারাত এক তরুণীর সঙ্গে আনন্দ-আড্ডায় কাটানোর পর সকালে এমন একটি তথ্য জানতে পারেন, যা তাদের সবাইকে হতবাক করে দেয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতভর একসঙ্গে সময় কাটানোর পর সকালে ওই তরুণী সম্পর্কে একটি অপ্রত্যাশিত তথ্য সামনে আসে। এরপরই চার বন্ধুর মধ্যে দেখা দেয় চরম বিস্ময় এবং বিষয়টি ঘিরে শুরু হয় নানা আলোচনা। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাজুড়ে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। তবে ঘটনাটির প্রকৃত সত্যতা এবং বিস্তারিত তথ্য জানতে সংশ্লিষ্টরা অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের গুজব ও অসমর্থিত তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও, সত্যতা যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস বা প্রচার করা উচিত নয়। এদিকে, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে নানা আলোচনা চললেও, নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না বলে মনে করছেন সচেতন মহল। ঘটনার নতুন কোনো তথ্য সামনে এলে তা জানানো হবে।

বাজারে ডিম কিনতে এসে কেউ বুঝতেই পারেনি কোনটা আসল...See More

Image
  প্রতিদিনের মতোই বাজারে ডিম কিনতে ভিড় করেছিলেন ক্রেতারা। বিক্রেতার ঝুড়িতে সারি সারি ডিম সাজানো থাকলেও, বাইরে থেকে দেখে কেউ বুঝতেই পারেননি কোনটি আসল আর কোনটি নকল। এক ক্রেতার সন্দেহ হওয়ায় কয়েকটি ডিম পরীক্ষা করা হয়। তখনই উপস্থিত লোকজনের মধ্যে শুরু হয় ব্যাপক কৌতূহল। অনেকে নিজ নিজ কেনা ডিমও পরীক্ষা করতে শুরু করেন। ঘটনাটি মুহূর্তেই বাজারজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। বিক্রেতাও দাবি করেন, তিনি নিজেও বিষয়টি জানতেন না এবং যেখান থেকে ডিম সংগ্রহ করেছেন, সেখানে খোঁজ নেওয়া হবে। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাজারে গিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেয়। একই সঙ্গে ক্রেতাদেরও পণ্য কেনার সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

কোন_ধরনের_নারীর_যৌ_ন_ক্ষুধা_বেশী..more

Image
            সহ/বাসের সময় একজন নারী তার শরীরের কোথায় বেশী আদর পেতে চায়? অনেক পুরুষ এটা জানেই না সহ/বাসের সময় বা মিলনের আগে শারীরিক তৃপ্তি এবং ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আদর (Foreplay) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারী শরীরের স্পর্শকাতর জায়গাগুলো কোন_ধরনের_নারীর_ ভিন্ন হতে পারে, তবে অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট অঙ্গ অত্যন্ত সংবেদনশীল। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: ১. ক্লিটোরিস (Clitoris) নারীর শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ হলো ক্লিটোরিস বা ভগশিন্ম। এতে হাজার হাজার স্নায়ুপ্রান্ত থাকে। যৌ/ন উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে এবং অর্গাজম বা চূড়ান্ত তৃপ্তি পেতে অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে এই অংশে সঠিক ও মৃদু স্পর্শ সবচেয়ে বেশি কার্যকর। ২. ঘাড় এবং গলা নারীর ঘাড় এবং কানের পেছনের অংশ অত্যন্ত কামোদ্দীপক। মিলন শুরুর আগে এই স্থানে হালকা চুম্বন বা নিঃশ্বাসের স্পর্শ নারীদের দ্রুত উত্তেজিত হতে সাহায্য করে। ৩. স্তন এবং স্তনবৃন্ত (Breasts and Nipples) সহ/বাসের সময় স্তন ও স্তনবৃন্তের আদর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে হালকা ম্যাসাজ বা চুম্বন শরীরে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসরণ করে, যা উদ্দীপনা...

সোনালী ব্যাংকে ১ লাখ টাকা এফডিআর (FDR) করলে মাসিক মুনাফা কত?..

Image
  সোনালী ব্যাংকে বর্তমানে ১ লাখ টাকার এফডিআর (FDR)-এর বিপরীতে মাসিক মুনাফা নির্ভর করে আপনার পছন্দের স্কিম ও মেয়াদের ওপর। ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী সম্ভাব্য মুনাফার হিসাব নিচে দেওয়া হলো:  মাসিক মুনাফা ভিত্তিক স্কিম (Monthly Income Scheme): ৩ বছর মেয়াদে: ৯.০০% মুনাফা হারে প্রতি মাসে প্রায় ৭৫০ টাকা। ৫ বছর মেয়াদে: ১০.০০% মুনাফা হারে প্রতি মাসে প্রায় ৮৩৪ টাকা। স্থায়ী আমানত (FDR) - মেয়াদ শেষে মুনাফা: আপনি যদি মাসিক মুনাফা না তুলে মেয়াদের শেষে একবারে মুনাফা নিতে চান, তবে বর্তমান হারগুলো হলো: ৩ মাস থেকে ৬ মাস: ৮.২৫% হারে। ৬ মাস থেকে ১ বছর: ৮.৫০% হারে। ১ বছর থেকে ৩ বছর: ৮.৭৫% হারে।  গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপরের মুনাফা থেকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ১০% থেকে ১৫% উৎসে কর (AIT) কাটা হবে (TIN সার্টিফিকেট থাকলে ১০%, না থাকলে ১৫%)। সোনালী ব্যাংকের সর্বশেষ রেট যাচাই করতে আপনি তাদের অফিসিয়াল আমানত স্কিম পেজ দেখতে পারেন অথবা সরাসরি নিকটস্থ শাখায় যোগাযোগ করতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের হো/টে/লের মাত্র ২ মিনিট দূরে হ/ঠা/ৎ...See More

Image
  নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন ঘিরে যখন বিশ্বনেতাদের নিয়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা চলছে, ঠিক তখনই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে হোটেলে অবস্থান করছেন, তার খুব কাছেই ঘটে গেল চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা। মঙ্গলবার বিকেলে ম্যানহাটনের ইস্ট ৪৩তম স্ট্রিট ও থার্ড অ্যাভিনিউয়ের কাছে পড়ে থাকা একটি কালো স্যুটকেস শনাক্ত করে নিউইয়র্ক পুলিশের প্রশিক্ষিত কু’কু’র। কুকুরটি স্যুটকেসের ভেতরে সন্দেহজনক কিছু শনাক্ত করার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বো’’মা নিষ্ক্রিয়করণ দল ও জরুরি সেবা ইউনিট। নিরাপত্তার কারণে ৪২তম থেকে ৪৪তম স্ট্রিট পর্যন্ত, সেকেন্ড অ্যাভিনিউ থেকে লেক্সিংটন অ্যাভিনিউ পর্যন্ত এলাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়। আশপাশের একটি ভবনও সতর্কতামূলকভাবে খালি করা হয়। ঘটনাস্থলের কাছেই রয়েছে ঐতিহাসিক ক্রাইসলার বিল্ডিং। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ঘটনাস্থলটি হোটেল থেকে মাত্র ২ মিনিটের দুরত্বে, যেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্ক সফরে অবস্থান করছেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর হোটেলের নিরাপত্তা ব্যাপক জোরদার করা হয়েছে, কিন্তু গতকাল অনেকে খুব সহজে ৩৩ তলা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে উঠে গিয়েছিলো, ক...

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হ*ত্যাকারী আটক।তার পরিচয় জানলে অবাক হবেন...See More

Image
  দীর্ঘ ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ডিবির একটি বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮১ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকে তিনি প্রায় ৪৫ বছর ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘদিনের অনুসন্ধান ও গোয়েন্দা নজরদারির পর তাকে আটক করতে সক্ষম হয় ডিবি।

কী পরিমাণ অ/মা/নু/ষ এরা একবার ভাবেন! এই দুই ভাই মিলে তারই নিজের আপন...See More

Image
  কী পরিমাণ অমানুষ এরা, একবার ভাবুন! এই দুই ভাই মিলে নিজেরই আপন মানুষের সঙ্গে এমন নির্মম আচরণ করেছে, যা শুনে এলাকাবাসী হতবাক। বিশ্বাস, ভালোবাসা আর পারিবারিক বন্ধনের জায়গায় যখন নিষ্ঠুরতা স্থান করে নেয়, তখন সবচেয়ে বেশি ভেঙে পড়ে একটি পরিবার। ঘটনার পর ভুক্তভোগী ও তার স্বজনরা ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং সত্য উদঘাটনে কাজ করছে। সমাজে এমন অমানবিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।

ঢাকায় ভাগ্নির অ/ভি/যো/গে মামা আটক। মেয়েটি বলে, গত ৬ মাসে তিনি মোট ৪১ বার...See More

Image
  গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক ইউনিয়নের আন্দার মানিক পূর্বপাড়া লিবাস গেট সংলগ্ন এলাকায় আপন ভাগ্নিকে ধর্ষণের অভিযোগে জাহিদুল ইসলাম জাহিদ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোররাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। আজকের আলোচিত সংবাদ অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম জাহিদ ওই এলাকার বাবুল হোসেনের ছেলে। ভুক্তভোগী কিশোরীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (সদর হাসপাতাল) এ ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আরও পড়ুনঃ বঙ্গভবন না প্যারিস, কোথায় থাকবেন ড. ইউনূস? স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর এলাকাবাসী বিষয়টি পুলিশকে জানালে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল। অভিযুক্তের স্ত্রীও তার বিরুদ্ধে পূর্ব থেকে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকার কথা জানিয়েছেন বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। আরও পড়ুনঃ মায়ের লাশে পচন: যুগ্ম-সচিব ছেলের বিরুদ্ধে ...

বরিশালে ডা’কা’তি করতে গিয়ে জিনিসপত্র নেওয়ার পর ঘরে থাকা প্রবাসীর বউ কে…see more

Image
   গোপালগঞ্জে একটি পরিবারের বাসায় ঘটে যাওয়া অস্বাভাবিক একটি ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবারের সদস্যদের অগোচরে এক তরুণীকে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকাজুড়ে শুরু হয় নানা আলোচনা ও কৌতূহল। প্রতিবেশীরা জানান, কয়েকদিন ধরে ওই বাড়িতে অস্বাভাবিক কিছু ঘটছে বলে তাদের সন্দেহ হচ্ছিল। পরিবারের সদস্যদের আচরণ এবং বাসার ভেতরে চলাফেরা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম নেয়। একপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর শুরু হলে ঘটনাটি সামনে আসে। সূত্র মতে, পরিবারের এক সদস্য নিজের আপাকে খাটের নিচে লুকিয়ে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে কী কারণে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে, সে বিষয়ে শুরুতে কেউ স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেনি। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে নানা তথ্য সামনে আসতে থাকে। ঘটনার খবর পেয়ে উৎসুক মানুষ বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন। অনেকেই ঘটনাটিকে অবিশ্বাস্য বলে মন্তব্য করেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান। এদিকে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে ভিন...